মদনপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি শুক্কুর আলী’র দু’টি কথা

0
মদনপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আদায়কৃত হাজার টাকার দায় কার? সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় পত্রিকা খুলতেই মদনপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মহিদ ভূইয়া ও সাধারণ সম্পাদক নাজিমউদ্দিনের ছবি ও প্রতিবাদ/নিন্দার সিরিয়াল সংবাদের ধরণ একই প্রতিপাদ্য বিষয় অভিন্ন,শুধু প্রতিবাদ জানালো কার বরাবর। সুস্থ্য ধারার রাজনীতির ভুল শুদ্ধ জরিপের দায়ভার পত্রিকার মাধ্যমে জনতার হাতে তুলে দেয়ার এ অরাজনৈতিক তৎপরতায় আমি বিক্ষুদ্ধ ও লজ্জিত হয়ে মদনপুর ইউনিয়নের সহ-সভাপতি হিসেবে আমার দু’টি কথা উপস্থাপন করতে বাধ্য হলাম । আমি মোঃ শুক্কুর আলী,রাজপথের আন্দোলন সংগ্রামের আপনাদের চির সাথী ছিলাম ও আছি। শুধু তাই নয়,আরজু রহমান সাহেবের ৫৬টি উঠান বৈঠকেই আমি মদনপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বক্তব্য দান ও দায়িত্ব পালণে ছিলাম। যা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকার প্রকাশিত সংবাদগুলোই প্রমাণ। কিন্তু সম্প্রতি মাননীয় প্রধাণমন্ত্রী কর্তৃক ত্রাণের কমিটি ও ত্রাণের তালিকা প্রস্তুতিকরণের মতো দায়িত্বশীল কাজে আমাকে সম্পৃক্ত না করে সাধারণ সম্পাদক নাাজিমউদ্দিন মহিদ ভূইয়াকে নিয়ে সম্পাদন করেন। এতে আমার কোন আপত্তি নেই। কিন্তু ত্রাণের তালিকা তৈরির কম্পোজ প্রিন্টের খরচ বাবদ ওয়ার্ড সভাপতি/.সাধারণ সম্পাদকের নিকট থেকে এক হাজার টাকা করে আদায় করার বিষয়টি আপত্তিকর বন্দর উপজেলার অন্য কোন ইউনিয়নে ঘটে নাই বলেই অত্র ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকগণ লিখিতভাবে জেলা ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদককে অবহিত করেন। এ বিষয়টি জেলা ও উপজেলা নেতৃবৃন্দ কি ভাবে দেখবেন তা সম্পূর্ণ তাদের বিষয়।কিন্তু পত্রিকায় প্রতিদিন প্রতিবাদের নামে এই অনাকাঙ্খিত এক হাজার টাকার প্রচার মদনপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগকে নিঃসন্দেহে হেয় প্রতিপন্ন করছে। ওয়ার্ড থেকে খরচ বাবদ এক হাজার নেয়ার বিষয়টি প্রতিবাদের নামে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা মাত্র। আমার জানা মতে,মদনপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি প্রয়াত মোবারক আলী ভূইয়ার মৃত্যুর পর গত ৪ বছরের মধ্যে এই ইউনিয়নের সভা ডেকে রেজুলেশন করে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নির্বাচিত করা হয়নি। সাধারণ সম্পাদকই সভাপতি পদের দায়িত্ব নিজ হাতেই রাখতেন। দলের সহ-সভাপতি মরহুম সিরাজুল ইসলাম,সহ-সভাপতি আব্দুল মতিন ভূইয়া,মোবারক আলী ভূইয়ার মৃত্যুর পর একটি মিলাদ কিংবা ব্যানার ছাপিয়ে টানানোর মতো অর্থ ব্যায় তার দ্বারা সম্ভব হয়নি। একটি কথা প্রচলিত আছে যে,তিনি ৩৪ বছরের সাধারণ সম্পাদক হয়ে ৩৪জন কর্মীকে ৩৪ কাপ চা পান করাননি। তার অরাজনৈতিক রুঢ়তা ও কৃপনতার ধরুন তিনি তার ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী হয়ে পরাজিত হয়ে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগকে লজ্জিত করেন।
দলীয় সুযোগ-সুবিধা বলতে যতটুকু পাওয়ার ততোটুকু নাজিম উদ্দিন একাই নিয়েছেন।তার রাজনৈতিক চরিত্রের কারণে প্রবীণ কর্মীরা নিস্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন এবং অনেকেই অনেকেই তাকে সাধারণ সম্পাদকের পদে পছন্দ করছেন না বলেই তৃনমূলের নেতা-কর্মীরা বলছেন। যাই হোক তবুও আমি সবার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বলবো আমরা ধৈর্য্যশীল হয়ে নিজেদের মধ্যে আস্থা গড়ে তুলি। করোনা মোকাবেলায় সামগ্রিক কর্মসূচীতে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করি।কাউকে দোষারোপ না করে আত্নসমালোচনা করে আত্নশুদ্ধির পথ প্রশস্ত করি।