ছালামত উল্লাহ রিসার্চ ফাউন্ডেশন নাম করণের স্বার্থকতা

0

ইংরেজি একটা প্রবাদ আছে, ‘চ্যারিটি বিগিনস অ্যাট হোম’। একটা শিশু শিক্ষালাভ থেকে শুরু করে মানবতা, শিষ্টাচার এবং দায়িত্ব কর্তব্য সবকিছুই শিখে পরিবারের কাছ থেকে। আর এই পরিবারের বটবৃক্ষ বাবা-মা। আমাদের প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে পিতা তাঁর সন্তানদের জন্য দিনরাত কষ্ট করেন। আর স্নেহশীল মা সন্তানকে বুকে আগলে রাখেন সমস্ত বিপদ আপদ থেকে। একটি সন্তানের পক্ষে পৃথিবীতে তার পিতামাতার ঋণ কোন দিন শোধ করা সম্ভব নয়। তবে সন্তান যেটা পারে তা হলো, তার পৃথিবীর ‘জান্নাত’ পিতামাতার সঠিক সম্মানটুকু দিতে। আমার পিতার প্রতি সম্মান জানানোর উদ্দেশ্যে, তাঁর নামেই পথচলা শুরু ছালামত উল্লাহ রিসার্চ ফাউন্ডেশনের। সন্তান হিসেবে পিতামাতাকে সম্মান জানানোর ক্ষুদ্র প্রয়াস মাত্র। মানুষের সেবা, যা আমাকে শিখিয়েছেন এই মা-বাবাই। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের সমাজে বাবা মায়ের প্রতি সন্তানেরা যেদিন থেকে পরিপূর্ণ দায়িত্ব পালন করা শুরু করবে, সেদিন থেকে দূর হয়ে যাবে সব সামাজিক অবক্ষয়। দেশ হয়ে উঠবে শান্তিময়। দেশের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা আমাদের আক্ষরিকভাবে শিক্ষিত করতে পারলেও, পারছে না পরিপূর্ণ মানুষ বানাতে। পরিপূর্ণ মানুষ তৈরি করতে এগিয়ে আসতে হবে পরিবারকেই। যতদিন পর্যন্ত বাবা-মায়ের সাথে সন্তানের সম্পর্কটা স্বাভাবিক না হবে, সম্মানের না হবে- ততদিন আমরা পিছিয়ে থকবো। ছালামত উল্লাহ রিসার্চ ফাউন্ডেশন নিজেদের নামের মাধ্যমে সবাইকে জানাতে চায়, সবসময় নিজের লাভ লোকসানকে প্রাধান্য না দিয়ে, বাবা মায়ের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্যগুলো যথাযথ পালন করুন। পাল্টে যাবে জীবনের সব হিসেব নিকেশ। পৃথিবীর সকল বাবা মায়ের প্রতি অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে শ্রদ্ধা। মোহাম্মদ হাসান আহাম্মেদ (খোকন) চেয়ারম্যান, সালামত উল্লাহ রিসার্চ ফাউন্ডেশন।