সীমান্তের মোটর সাইকেল চোর সেই রুবেল জেল হাজতে!

0

নিজস্ব প্রতিবেদক::
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের এপার ওপারে দামী ব্রান্ডের মোটরসাইকেল চুরি করে বিক্রি করাই যার মূল পেশা আন্ত:সীমান্তের মোটরসাইকেল চোর সেই রাফাতুল ইসলাম রুবেলকে আদালত জেল হাজতে পাঠিয়েছেন।,
রুবেল সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উওর ইউনিয়নের কলাগাঁও সীমান্তের কলাগাঁও গ্রামের পল্লী চিকিৎসক আব্দুল মান্নান ওরফে মনা ডাক্তারের ছেলে ও বহুল আলোচিত মাদক হুন্ডি অস্ত্র চোরাকারবারী রফিকুল ওরফে কালা রফিকের সহোদর ভাই।,
শনিবার রাতে থানা পুলিশ জানায়, তাহিরপুর থানায় (২৯ অক্টোবর) দায়েরকৃত মোটরসাইকেল চুরির মামলায় রাফাতুল ইসলাম রুবেল এজাহার নামীয় আসামী হিসাবে দ্বীর্ঘ দিন আত্বগোপনে থাকার পর বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) সুনামগঞ্জ বিজ্ঞ আদালতে হাজির হয়ে জামিন নিতে গেলে আদালত জামিন না মঞ্জুর কওে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।,
মামলা সুত্রে জানা গেছে, একই মামলায় উপজেলার শ্রীপুর উওর ইউনিয়নের বালিয়াঘাট সীমান্তের দুধের আউটা গ্রামের মিরাশ আলীর ছেলে মোস্তফা ওরফে গোলাম মোস্তফা ওরফে টেরা মোস্তফা আসামী হলেও থানা অদৃশ্য শক্তির ইশারায় থানা পুলিশের নিকট সে আজো অধরাই রয়ে গেছে।,
গোটা জেলায় জনশ্রুতি রয়েছে তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী টেকেরঘাট চুনাপাথর খনি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এন্ড কলেজে নবম শ্রেণিতে পুড়য়া মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক পরিবারের পাশাপাশী দেশের শীর্ষ জাতীয় দৈনিকে কর্মরত সাংবাদিকের মেধাবী কিশোর ছেলেকে ফাঁসাতে সাজানো মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় পুর্ব পরিকল্পিতভাবে মোস্তফা, রুবেল উপজেলার বালিয়াঘাট সীমান্তের লালঘাট পশ্চিম পাড়ার মৃত আলী বক্সের ছেলে সীমান্তের অপর শীর্ষ মাদক,কয়লা,অস্ত্র চোরাকারবারী, নারী নির্যাতন ও ডাকাতি মামলার আসামী সীমান্তে মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্য সেই গাড়ি চালক জামাল উদ্দিন ওরফে জামাল ডাকাত চক্রকে ফাঁদ তৈরীর প্রথম সিড়ি হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
বিভিন্ন সময় অনিয়ম,ঘুষ দুর্নীতি, সন্ত্রাস নৌ পথে চাঁদাবাজি, কয়লা চুরি -ডাকাতি, জাদুকাটা নদীর বালু পাথর চুরি লুপাট, সীমাান্ত ছড়া পাথর বালু লুপাটের বিরুদ্ধে, সীমান্ত চোরাচালান, স্কুল শিক্ষক পেটানোর ঘটনা, ্ইতিপুর্বে সদও উপজেলার মঙ্গলকাটায় কিশোর গ্যাংর তিন সদস্য কতৃক মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা, বহুল আলোচিত মানিক হত্যাকান্ড সহ নানা সংবাদ প্রকাশে ক্ষুদ্ধ কয়েকটি চক্র ও স¤প্রতি ডিজিটাল নিরাপক্তা আইনে জেল হাজত ফেরত কিশোর গ্যাং’র কয়েক সদস্য এবং জামাত –বিএনপি ঘরানার তাদের কয়েকজন অতিউৎসাহী অভিভাবকগণের ষড়যন্ত্রে মোস্তাফা, রুবেল, জামাল ডাকাত, একাধিক মামলার আসামী দুলাল গংদের সাংবাদিকের স্কুল পড়–য়া কিশোর ছেলেকে ফাঁসানো কান্ড বাস্তবায়নে মাঠে নামানো হয়।,
উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি,জেলা পরিষদ প্যানেল চেয়ারম্যান সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান দুদকে অভিযুক্ত আবুল হোসেন খাঁর ভায়রা পুত্র তারই গুণধর দুই ছেলে আবুল কালাম খাঁ পারুল, আবুল বাশার খাঁ নয়নের আপন খালাত ভাই এমনকি তাদের গাড়ি চালক ও দেহরক্ষীই হলেন মোস্তফা ওরফে গোলাম মোস্তফা ওরফে টেরা মোস্তফা।,
শনিবার রাতে থাহিরপুর থানার ওসি মো. আব্দুল লতিফ তরফদার বললেন, রুবেলকে শ্রীঘ্রই রিমান্ডে নিয়ে এসে ওই সাজানো মোটরসাইকেল চুরির ঘটনার ব্যাপারে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করা হবে। পলাতক মোস্তফাকে আটকে পুলিশী চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান ওসি।